NotunBlog
নতুনBlog » বিজ্ঞান » রহস্যের মহাকাশ ১

রহস্যের মহাকাশ ১

আপনি যদি বিজ্ঞানের বিশেষ কিছু আকর্ষণীয় দিক খুজতে যান তাহলে এর একটি হবে মহাকাশ বিদ্যা।দিনের বেলা আকাশ নীল কিন্তু রাতে তারায় ভরপুর।এর মানে কি দিনের বেলায় তারা থাকে না আর রাতের বেলায় থাকে?

না আসলে তা নয়।দিনের বেলা সূর্জ থেকে আলো আসে।এ আলো সাতটি রঙ বহন করে জাদের মধ্যে একটি হলো নীল।বাতাসের স্তর ভেদ করে আলোর সাতটি এর ছয়টি রঙ প্রবেশ করতে পারলেও একটি এর অংশ বাইরে অনবরত প্রতিফলিত হয়,যার কারনে আকাশ নিল দেখায়।

সন্ধ্যায় যখন সূর্জ পশ্চিমে অস্ত জায় তখন যদি আমরা পশ্চিম আকাশে লক্ষ্য করি তাহলে লালাভ আভা দেখতে পাওয়া জায়।এ আভা মূলত আলোর বিচ্ছুরণ । আলোর বিচ্ছুরণ মূলত বায়ুতে অবস্থিত ধূলীকণা ওবং অন্যান্য উপাদানের জন্য হয়।লাল আলো সবচেয়ে কম বিচ্ছুরিত হয়।

কারণ লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি । আলো মূলত বিচ্ছুরণের জন্য তরঙ্গের দৈর্ঘ্যের চতুর্থ ঘাতের ব্যাস্তানুপাতিক সূত্র মেনে চলে।অর্থাত সাধারণভাবে বললে জত বেশি তত কম। তাই লাল আলোই শুধুমাত্র বিচ্ছুরণ অতিক্রম করে (যেহুতু এর টি কম)আমাদের চোখে ধিরা দেয়।

আর রাতের বেলায় কোন আলো আসে না সূর্জ থেকে আর এজন্যই রাতের আকাশ কালো হয় নীল না এবং আমরা তারা দেখতে পাই। মূলত তারা সবসময় থাকে। একেকটি তারা আমাদের সুর্জ এর তূলনার ও অনেক গুন বড় কিন্তু এগুলো আমাদের থেকে অনেক দূরে থাকায় ছোট বিন্দুর ন্যায় দেখায়। তারা হলো নক্ষত্র আর নক্ষত্রের নিজস্ব আলো থাকে আর যে তারাগুলো আমরা দেখি সেগুলো সূর্জের তুলনায়ও অতি উজ্জ্বল।

আমরা বাস করি মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি তে। এ গ্যালাক্সির একটি অতি ছোট অংশ হলো সোলার সিস্টেম মূলত সুর্জকে কেন্দ্র করে যেসব গ্রহ ঘুরে তাদের নিয়ে সোলার সিস্টেম গঠিত। সূর্জকে কেন্দ্র করে যেমন গ্রহ গুলো ঘুরছে তেমনি সূর্জ ও ঘুরছে।কেউ যদি সূর্রজের ঘূর্নন দেখতে চান তাহলে ইউটিউবে কিছু ভিডিও দেখতে পারেন।

মহাকাশ

আর হ্যা মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির একটি নক্ষত্র হলো সূর্জ ,এরকম হাজার কিংবা লক্ষাধিক নক্ষত্র থাকতে পারে মিল্কিওয়ে তে। আবার মিল্কিওয়ে হলো অনেক ছোট গ্যালাক্সি ,এরকম লক্ষাধিক কিংবা কোটি গ্যালাক্সি থাকতে পারে।

ব্যাপারটা অনেক আকর্ষণীয় না? আমাদের পাশের গ্যালাক্সি হলো এন্ড্রোমিডা,এটি খালি চোখে দেখা জায়। আমরা মহাকাশের অনেক বিষয় জানবো,সবে শুরু,মানুষ অল্প এবং সহজ থেকে শিখে বড় হয়।আর শেখা জিনিসটা ধীরে ধীরে করতে হয় তাহলে চিন্তা করার সময় পাওয়া জায় এবং মানুষ প্রকৃত বুদ্ধিমান হয়।আমরা চিন্তাশীল হবো, বিজ্ঞান বুঝবো,আমরা আনন্দ করে শিখব।

Curiosity about something leads to discovery…….

nahian

বিন্দুর ভিতরে বিন্দু।

মন্তব্য করুন

সংযুক্ত থাকুন​

সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে সকল আপডেট গুলো সবার আগে পান!

mattis fringilla libero. id, ipsum Praesent Lorem dolor.